মন্তব্য লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
মন্তব্য লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শনিবার, ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১১

নদীর বালি নির্ভর জীবিকা


সুজলা-সুফলা শস্য শ্যামল আমাদের এই দেশ। এদেশ ভূগর্ভস্থ প্রাকৃতিক সম্পদে ভরপুর। নদীমাতৃক এই দেশের নদীতেও রয়েছে প্রাকৃতিক সম্পদের বিপুল সম্ভার।
দেশের সর্ব উত্তরের জেলা পঞ্চগড় বালি এবং পাথরের জন্য খ্যাত। পঞ্চগড়ের নদীগর্ভ থেকে প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ বালি ও পাথর তোলা হয়। বিশ্বায়নের এ যুগে অবকাঠামোগত উন্নয়নের ফলে দিন দিন বাড়ছে নির্মাণ সামগ্রীর চাহিদা। আর পাথর-বালি ব্যতিত উন্নয়নের কথা চিন্তা করা যায়না।পঞ্চগড়ের বিপুল জনগোষ্ঠীর মানুষ নদী থেকে বালি উত্তোলন করে জীবিকা নিবার্হ করছে।

পঞ্চগড় জেলায় যে সকল নদী থেকে বালি উত্তোলন করা হয় তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য একটি নদী হচ্ছে হাফিজাবাদ তালমা নদী । এ নদীটি ভারতে উৎপন্ন হয়ে ভিতরগড় সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। অত্যন্ত ক্ষীণ গতিতে প্রবাহিত হয়ে নদীটি পঞ্চগড় পৌরসভার পূর্ব জালাশীতে এসে করতোয়ার সাথে মিশে তালমা নদী নামে পরিচিতি লাভ করেছে।এ নদীর বৈশিষ্ট্য হচ্ছে রাস্তার পিচ ঢালাই করতে যে মোটা বালি ব্যবহার করা হয় তা এখানে পাওয়া যায়। জেলা শহর থেকে মাত্র তিন কি.মি. দূরে অবস্থান। সদর উপজেলার হাফিজাবাদ ইউনিয়নের পাঁচটি পয়েন্ট থেকে মোটা বালি উত্তোলন করা হয়। পঞ্চগড়ের চাহিদা মিটিয়ে এ বালি রংপুর দিনাজপুর সহ উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন জেলায় ট্রাকযোগে পাঠানো হয়। তালমা নদীটি শূল রাস্তা বরাবর ঘেষে থাকায় পরিবহন ব্যবস্থায় রয়েছে সুবিধা। বালি উত্তোলনকারী মোঃ বেলাল (৪০) মোঃ শফিক (৩২) মোঃ আউয়াল (৩৫) ও সুরেশ চন্দ্র (৩৫) জানালেন বালির সাথে তাদের সখ্যতার কথা। তারা প্রথমে নদী থেকে নৌকায় বালি তুলেন। পরে নৌকা তীরে নিয়ে তা থেকে রাস্তার পাশে বালি নিয়ে আসেন। উত্তোলনকারী মোঃ রফিক জানালেন প্রতি ট্রাক বালি তারা ২৪০০ টাকা দরে বিক্রি করেন। এতে গড়ে আয় হয় ১৮০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত। তালমা নদীর পাঁচটি পয়েন্টে গড়ে ৩৫ থেকে ৪০ জন শ্রমিক বালি উত্তোলন করেন। বছরে প্রায় আট মাস তারা এ কাজ করেন। বর্ষা শেষ হওয়ার সাথে সাথেই তারা নদীতে চরে আসেন। নদীতে প্রতিদিন তারা ৬-৭ ঘন্টা পর্যন্ত উঠানামা করেন। কারো অধীনস্থ না হয়ে আর শান্ত এই নদীতে সারাদিন থাকতে তারা কখনোই ক্লান্তিবোধ করেন। বালির বাধ দিয়ে নদী সংকুচিত করে স্রোত ব্যবহার করে তারা নদী থেকে বালি উত্তোলন করেন। বালির বাধ ক্ষণস্থায়ী নয় বরং দিয়েছে দীর্ঘস্থায়ী জীবিকার নিশ্চয়তা। পাহাড়ী ঢল নেমে আসায় এ নদীতে বালি উত্তোলনকারী দের দেখা যাচ্ছে। ছবিটি পঞ্চগড় সদর উপজেলার তালমা নদী থেকে সংগৃহীত ।
পঞ্চগড় থেকে
মো বায়েজিদ বোস্তামী বাবু(স্বেচ্ছাসেবক)।

সোমবার, ২৫ অক্টোবর, ২০১০

সরকারী প্রকল্প গুলোর মনিটরিং ডিজিটাইজড করুন

পাঠক প্রতিক্রিয়া:

মনিটরিং বা চোখে চোখে রাখাটা যে কোন প্রকল্পের জন্য একটি অত্যন্ত জরুরী বিষয়। এই কাজটা প্রতিদিন করা সরকারের পক্ষে অসম্ভব একটা ব্যাপার। ফলে, এইখাতেই দুর্নীতি হয় সবচেয়ে বেশি। কাজ না করেই টাকা তুলে নেওয়া, কাজ অসমাপ্ত রেখে টাকা তুলে নেওয়ার খবর পড়ি আমরা প্রায়শই। এক্ষেত্রে, নেটিজেনদের একটা বড় ভূমিকা হতে পারে মোবাইল দিয়ে তোলা ছবি। সরকারের যেইখানে যেই প্রকল্প চলছে ( রাস্তা- ব্রিজ- কোন স্থাপনা-ভূমি উন্নয়ন- গাছ লাগানো ইত্যাদি) সেই উপজেলা/ জেলা/ বিভাগের একটি করে প্রকল্প ওয়েব সাইট বানিয়ে রাখা। বাংলাদেশের জন্য জেলা ওয়ারী যেই ওয়েব সাইট গুলো আছে, সেইখানে এলাকাভিত্তিক পেইজ গুলোতে বিভিন্ন প্রকল্পের জন্য আলাদা আলাদা পেইজ সৃষ্টি করা যেতে পারে। এতে করে, যে কোন নাগরিক প্রকল্পের যে কোন দিনের ছবি তুলে ঐখানে আপলোড করে দিতে পারেন। ফলে, চুরি দারির রাস্তা বন্ধ হবে। আর সরকার বিনা পয়সায় মনিটরিং করতে পারবেন। কোন কাজ আদৌ কতদূর হইলো তা সহজেই জানা যাবে। প্রকল্প শেষ হলে টাকা তোলার শর্ত হিসেবে কাজ শেষ হয়েছে – এমন প্রমাণ দিতে পারবে ঐ ছবি। প্রকল্পের ছবি চেয়ে ওয়েবসাইটে নোটিশ টাঙ্গালে এলাকাবাসী ছবি দেওয়ার কাজটা করতে পারবে। সবাই তো আর টাকা খেয়ে নিজের এলাকার ক্ষতি করবে না, তাই না?

ওয়েব সাইটের জন্য জরুরী কনটেন্ট যোগাড় করে আপলোড করা একটা কঠিন কাজ। এইটা নাগরিকদের করতে দিন। বিনা পয়সায় বাংলাদেশের তরুণরা এইটা করে দিবে। যেমন- পর্যটনের ওয়েব সাইট। বাংলাদেশের পর্যটনযোগ্য এলাকা, বিখ্যাত স্থাপনা ইত্যাদির ছবি ও তথ্য আপলোড করার কাজটা উন্মুক্ত করে দিন। আমি জানি, শত শত উৎসাহী তরুণ দেশের জন্য এই কাজটা সহজেই করে দিবে। একটু ভেবে দেখবেন?

- রাগ ইমন

২০ অক্টোবর, ২০১০

শুক্রবার, ২২ অক্টোবর, ২০১০

ড্রেন নয় যেন মরণ ফাঁদ

মো: আব্দুস ছবুর, পঞ্চগড়

আমরা পঞ্চগড়বাসি –এই শহরে এমন কতগুলো ড্রেন রয়েছে যেইখানে ভয়াবহ দূঘটনা ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে। যেমন আমি গতকাল রাস্তা দিয়ে হাঁটতে গিয়ে দেখতে পেলাম যে সিটি জেনারেল হাসপাতালের পাশের রাস্তায় একটি ড্রেন ভেঙ্গে রয়েছে। এই কারণে তার উপর দিয়ে ভ্যান রিক্সা চলতে পারছেনা। আরো দেখি রাস্তার পাশ দিয়ে ছোট ছোট যে ড্রেন রয়েছে তাতে ময়লা জমে থাকায় সেইখান থেকে র্দূগন্ধ ছড়াচ্ছে। সবচেয়ে বড় সমস্যা হল সেইখান থেকে মশা সৃস্টি
হয়।