যোগাযোগ ব্যবস্থা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
যোগাযোগ ব্যবস্থা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
রবিবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০১০
অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে জনজীবন
আমাদের বাংলাদেশের বৃহৎ একটি বিভাগ হচ্ছে রাজশাহী। আর এই রাজশাহীবাসীরা অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বসবাস করছে। তারা নিত্য দিন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এই দূষিত পরিবেশ দ্বারা। রাজশাহীর প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত রাজশাহী রেলভবন। এখানে প্রায় ১২০০ মানুষ কর্মরত রয়েছেন। কিন্তু রেলভবনের আশে-পাশের পরিবেশ হচ্ছে দূষিত পরিবেশ। ভবনের সামনেই সাধারণ জনগণ মূত্রত্যাগ করে থাকেন। এতে করে পাশ দিয়ে যারা যাতায়াত করে তারা অসুবিধার সম্মুখীন হয়।
রেলভবনে কর্মরত মো: আজিজুল হক (এএলডি), মো: আনোয়ার, অফিস সহকারী এবং প্রসাশনিক দায়িত্বে নিয়োজিত মো: রেজাউল হক, মো: নয়ন হোসেন প্রমুখের এর মতে, এই দূষিত বায়ুর কারণে বিভিন্ন ধরনের অসুবিধা হয়ে থাকে।
এই রাস্তাটা দিয়ে বিভিন্ন ধরনের মানুষ ও গাড়ী চলাচল করে। ফুটপাতের উপর ময়লা জমে থাকার কারণে পথচারীরা সঠিকভাবে চলাফেরা করতে পারে না। সাধারণ জনগণ বলেন, এই কাজটি করা ভাল নয়। অথচ তাদের মতো মানুষই কাজটি করে থাকে। এখানে ভ্রাম্যনাণ মানুষ এবং পথচারীদের জন্য মলমূত্র ত্যাগের কোন সুব্যবস্থা নেই।
এছাড়াও রেলভবনের পূর্ব দিকে ময়লা আবর্জনা ফেলা হয়। যা ফেলে থাকে সিটি কর্পোরেশনের কর্মরত ওয়ার্ড পরিস্কার করার দায়িত্বে নিয়োজিত কর্মীরা।
এই রাস্তাটি দিয়ে দিনে প্রায় ২০,০০০ হাজার মানুষ যাতায়াত করে থাকেন। এতে করে তাদের জীবন অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ দ্বারা প্রভাবিত হচ্ছে। তাদের শারীরিক অসুস্থতা বেড়ে যাচ্ছে। এখানকার মুদি দোকানদার ও এখানে অবস্থিত খাদ্য গুদামের গার্ড বলেন, সারা ওয়ার্ডের সমস্ত ময়লা গাড়ী করে এখানে এনে ফেলে আর রাতে প্রায় ১০টা থেকে ১২টার মধ্যে সিটি কর্পোরশনের গাড়ী এসে তা তুলে নিয়ে যায়। কিন্তু সারাদিন যে দুর্গন্ধ ছড়ায় এতে করে তাদের বিভিন্ন ধরনের অসুবিধা হয়ে থাকে।
কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে রেলভবনের কর্মকর্তাগণ এবং রেলগেটের আশে-পাশের মানুষের ও পথচারীদের অনুরোধ করেন যে, এই এলাকার পরিবেশ রক্ষা করার জন্য কর্তৃপক্ষ খুব জরুরীভাবে কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করুন।
প্রতিবেদক: মোসা: হেনা খাতুন, রাজশাহী
(ছবি ফ্লিকার থেকে ভিপেজ এর সৌজন্যে ক্রিইটিভ কমন্স লাইসেন্সের আওতায় ব্যবহৃত)
লেবেলসমূহ:
মতামত,
যোগাযোগ ব্যবস্থা,
রাজশাহী
রবিবার, ৭ নভেম্বর, ২০১০
জীবনের মূল্য কতটুকু
রাজশাহী মহানগরের অন্যতম ব্যস্ততম সড়ক গৌরহাঙ্গা গ্রেটার রোড। এই সড়কে বর্ণালীর মোড় নামক স্থানে গতকাল শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টার দিকে আলোর জন্য একজন মটর সাইকেল আরোহী মারাত্মক দুর্ঘটনার হাত থেকে বেঁচে যান। সেখানে স্পিড ব্রেকার থাকলে ও ঢাকাগামী একটি বাস অতিদ্রুত ... দিক ছুটে আসে এবং কোন রকম গতি না কমিয়েই মটর সাইকেলটিকে অতিক্রম করে। ট্রাফিক পুলিশ এক রকম নীরব ভূমিকা পালন করেন। স্থানীয়দের মতে এরকম ঘটনা প্রতিদিনই ঘটছে। ব্যস্ততম সড়কগুলোতে স্পিড-ব্রেকার থাকলেও সেগুলোর যথাযথ ব্যবহার হচ্ছে না বা সুফল পাওয়া যাচ্ছে না। অধিকাংশ বড় যানবাহনগুলোর ক্ষেত্রে সেসব স্থানে গতি কমানো হয় না। ফলে রাস্তা পারাপারেও অনেক অনাকাঙ্খিত ঘটনার সম্মুখীন হতে হয়। ট্রাফিক আইন অমান্য করে রাস্তা পারাপার, ট্রাফিক পুলিশের দায়িত্বে অবহেলা এবং চালকদের অসচেতনতা প্রতিনিয়ত এ সকল দুর্ঘটনার জন্ম দেয়। নিরাপদ সড়ক, নিরাপদ জীবন। আর তাই সময় বাঁচাতে গিয়ে জীবনের ঝুঁকি নেওয়া কোন ভাবেই উচিত নয়। একথা মনে রাখতে হবে যে, সময়ের চেয়ে জীবনের মূল্য অনেক বেশি। ট্রাফিক আইন মেনে চলার ব্যাপারে প্রশাসনকে একটি বড় ভূমিকা পালন করতে হবে। পাশাপাশি জনমতে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে পারলে এ ধরনের ঘটনা এড়ানো সম্ভব হবে।
মো: মোস্তাফিজুর রহমান মুন্না, রাজশাহী
মো: মোস্তাফিজুর রহমান মুন্না, রাজশাহী
লেবেলসমূহ:
মতামত,
যোগাযোগ ব্যবস্থা,
রাজশাহী
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)
