মতামত লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
মতামত লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
মঙ্গলবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০১০
ড্রেনের জন্য চরম দুর্ভোগে জনগণ
রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের ১৪নং ওয়ার্ডে তেরখাদিয়ায় (মধ্যপাড়া) পর্যাপ্ত ড্রেইন ব্যবস্থা নেই। ড্রেইন ব্যবস্থা থাকলেও তা ভাল নয়। ভাল না হওয়ার কারণে জনসাধারণের দুর্ভোগ পোহাতে হয়। বর্ষার সময় ড্রেনের পানি ভরাট হয়ে উপরে উঠে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করে। জনগণ চরম দূর্ভোগে পড়ে। আবার এক পাশের জনগণের ড্রেইন ব্যবস্থার আওতায় আনা হয়েছে আর অন্য পাশের জনগণের ড্রেইন ব্যবস্থার আওতয় আনা হয়নি – এমন এলাকাও রয়েছে।
এই এলাকায় প্রায় ১৫০০ জন লোকের বসবাস থাকা সত্ত্বেও ড্রেন ব্যবস্থা নাই। বর্তমান কমিশনারের নির্বাচনী ইস্তেহারে থাকা সত্ত্বেও ড্রেন ব্যবস্থার তেমন কোন উন্নতি হয়নি। এতে করে মহল্লার জনগণের অসুবিধা হচ্ছে। এলাকার লোকজন ময়লা পানি রাখার জন্য হাউজ তৈরি করা সত্ত্বেও মাঝে মাঝেই হাউজের দুর্গন্ধ পানি উপচে রাস্তায় চলে আসে এবং দুর্গন্ধ সৃষ্টি করে। এই জন্য রাস্তায় চলাফেরার অসুবিধা সৃষ্টি হয়।
মহল্লার লোকজনের সাথে কথা বলে জানা যায়, তাদের দাবি তারা কমিশনারের কাছে পেশ করা সত্ত্বেও সমস্যাটির সমাধান হয়নি।
প্রতিবেদক: নয়ন
(ছবি ফ্লিকার থেকে সাসটেইনেবল সেনিটেসন এর সৌজন্যে ক্রিইটিভ কমন্স লাইসেন্সের আওতায় ব্যবহৃত)
আমাদের শিশুদের আনন্দলোক
শিশুদের জন্য আনন্দদায়ক স্থানের খুবই প্রয়োজন। যেখানে শিশুরা তাদের মানসিক ও শারীরিক বিকাশের পরিবেশ পাবে।
শিশুদের আনন্দের স্থান হচ্ছে শিশুপার্ক বা বিভিন্ন ধরনের পার্ক ও চিড়িয়াখানা। এখানে শিশুরা খেলাধুলা করে থাকে। এখানে শিশুদের ও বড়দের একই টিকিট মূল্য নির্ধারণ করা থাকে। শিশুদের নিজেদের কথা হচ্ছে যে, তারা কোন ধরনের কর্ম করে না, তারা মনের আনন্দে পার্কে বেড়াতে আসে। তবুও তাদের পার্কে যাওয়ার ৫ দিন আগে থেকেই টিকিটের টাকা জমা করতে হয়। এছাড়া পার্কের ভেতরে ঢোকার পরও মনের মতো আনন্দ করতে পারে না। কারণ প্রতিটি খেলাতে উঠতে হলে, তাদেরকে আলাদা আলাদা করে টাকা দিতে হয়। এছাড়া এখন পার্কে যাওয়ার কোন সুন্দর পরিবেশ নেই। সেখানে গিয়ে শিশু আনন্দ পাওয়ার চেয়ে খারাপ পরিবেশের দিকেই বেশি দৃষ্টি পরবে। যা শিশুর মানসিক বিকাশকে বাধাগ্রস্ত করে।
রাজশাহীর শহীদ ক্যাপ্টেন মনসুর আলী পার্কে-এ প্রবেশ করলে সামাজিকভাবে অগ্রহণযোগ্য একটি পরিবেশ লক্ষ করা যায়। এখানকার দোকানদার বলেন যে,এখানে নাকি প্রায় পুলিশ,র্যাব হানা দেয়। তবু কোন সঠিক পদক্ষেপ গ্রহণ হচ্ছে না। এতে করে একটি পার্ক নোংরা পরিবেশের সৃষ্টি করছে। এতে করে আমাদের তরুণরা ভুল পথে ধাবিত হচ্ছে। অতএব কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে ছোট সোনামনিদের আবেদনে এবং আমাদের তরুণদের সঠিক ভবিষ্যতের কথা বিবেচনা করে অনুরোধ করা হচ্ছে যে, এ অবস্থার প্রতিকারে কোন সঠিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হউক।
মোসা: হেনা খাতুন, রাজশাহী
(ছবি ফ্লিকার থেকে জাহিদ ফটোগ্রাফির সৌজন্যে ক্রিইটিভ কমন্স লাইসেন্সের আওতায় ব্যবহৃত)
লেবেলসমূহ:
নাগরিক সুবিধা,
মতামত,
রাজশাহী
রবিবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০১০
অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে জনজীবন
আমাদের বাংলাদেশের বৃহৎ একটি বিভাগ হচ্ছে রাজশাহী। আর এই রাজশাহীবাসীরা অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বসবাস করছে। তারা নিত্য দিন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এই দূষিত পরিবেশ দ্বারা। রাজশাহীর প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত রাজশাহী রেলভবন। এখানে প্রায় ১২০০ মানুষ কর্মরত রয়েছেন। কিন্তু রেলভবনের আশে-পাশের পরিবেশ হচ্ছে দূষিত পরিবেশ। ভবনের সামনেই সাধারণ জনগণ মূত্রত্যাগ করে থাকেন। এতে করে পাশ দিয়ে যারা যাতায়াত করে তারা অসুবিধার সম্মুখীন হয়।
রেলভবনে কর্মরত মো: আজিজুল হক (এএলডি), মো: আনোয়ার, অফিস সহকারী এবং প্রসাশনিক দায়িত্বে নিয়োজিত মো: রেজাউল হক, মো: নয়ন হোসেন প্রমুখের এর মতে, এই দূষিত বায়ুর কারণে বিভিন্ন ধরনের অসুবিধা হয়ে থাকে।
এই রাস্তাটা দিয়ে বিভিন্ন ধরনের মানুষ ও গাড়ী চলাচল করে। ফুটপাতের উপর ময়লা জমে থাকার কারণে পথচারীরা সঠিকভাবে চলাফেরা করতে পারে না। সাধারণ জনগণ বলেন, এই কাজটি করা ভাল নয়। অথচ তাদের মতো মানুষই কাজটি করে থাকে। এখানে ভ্রাম্যনাণ মানুষ এবং পথচারীদের জন্য মলমূত্র ত্যাগের কোন সুব্যবস্থা নেই।
এছাড়াও রেলভবনের পূর্ব দিকে ময়লা আবর্জনা ফেলা হয়। যা ফেলে থাকে সিটি কর্পোরেশনের কর্মরত ওয়ার্ড পরিস্কার করার দায়িত্বে নিয়োজিত কর্মীরা।
এই রাস্তাটি দিয়ে দিনে প্রায় ২০,০০০ হাজার মানুষ যাতায়াত করে থাকেন। এতে করে তাদের জীবন অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ দ্বারা প্রভাবিত হচ্ছে। তাদের শারীরিক অসুস্থতা বেড়ে যাচ্ছে। এখানকার মুদি দোকানদার ও এখানে অবস্থিত খাদ্য গুদামের গার্ড বলেন, সারা ওয়ার্ডের সমস্ত ময়লা গাড়ী করে এখানে এনে ফেলে আর রাতে প্রায় ১০টা থেকে ১২টার মধ্যে সিটি কর্পোরশনের গাড়ী এসে তা তুলে নিয়ে যায়। কিন্তু সারাদিন যে দুর্গন্ধ ছড়ায় এতে করে তাদের বিভিন্ন ধরনের অসুবিধা হয়ে থাকে।
কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে রেলভবনের কর্মকর্তাগণ এবং রেলগেটের আশে-পাশের মানুষের ও পথচারীদের অনুরোধ করেন যে, এই এলাকার পরিবেশ রক্ষা করার জন্য কর্তৃপক্ষ খুব জরুরীভাবে কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করুন।
প্রতিবেদক: মোসা: হেনা খাতুন, রাজশাহী
(ছবি ফ্লিকার থেকে ভিপেজ এর সৌজন্যে ক্রিইটিভ কমন্স লাইসেন্সের আওতায় ব্যবহৃত)
লেবেলসমূহ:
মতামত,
যোগাযোগ ব্যবস্থা,
রাজশাহী
সিটি হাসপাতালে অব্যবস্থাপনা
বিভাগীয় শহর রাজশাহী। রাজশাহী সিটি হাসপাতালে ৩ জন ডাক্তার ও ৪ জন নার্স কর্মরত আছেন। এই হাসপাতালে ইসিজি আলট্রাসনোগ্রাফী, রক্তের গ্রুপ পরীক্ষাসহ বিভিন্ন আধুনিক পরীক্ষার ব্যবস্থা রয়েছে। সেবা দানের উদ্দেশ্য নিয়ে এই হাসপাতালটি কাজ করলেও বর্তমানে কিছু অব্যবস্থাপনার চিত্র লক্ষ করা যায়। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এখানে টিকিট মূল্যের বৈষম্য আছে। তাদের দাবি জ্বর, সর্দি, কাশিসহ সাধারণ চিকিৎসার জন্য ১০ টাকায় টিকিট পেলেও প্রসূতি ও চক্ষু চিকিৎসার জন্য ৫০ টাকায় টিকিট কাটতে হয়। রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১০ টাকার টিকিটে এক মাস সেবা পাওয়া যায়। যেখানে সিটি হাসপাতালে ১০ টাকা দিয়ে মাত্র একবার চিকিৎসা পাওয়া যায়। এখানে ইসিজি আলট্রাসনোগ্রাফী কার্যকর আছে কিনা জানতে চাইলে এক রোগী জানান পরীক্ষার জন্য যে টাকা দিতে হয় তার চেয়ে কম খরচে রাজশাহী মেডিকেল কলেজে পরীক্ষা করা যায়। তিনি আরো জানান, এই সকল পরীক্ষার মানের ব্যাপারে তাদের আস্থার অভাব আছে।
এখানে প্রসূতি মায়েদের নরমাল ডেলিভারির জন্য ৫০০ টাকা এবং সিজার অপারেশনের জন্য ৪,০০০ টাকা দিতে হয় বলে সেবাগ্রহণকারীরা জানায়।
এ সকল ব্যাপারে জানতে চাইলে হাসপাতাল প্রধান আমাদের কোন রকম তথ্য দিতে অস্বীকার করেন।
হাসপাতাল সংশ্লিষ্ট রাস্তাটি অপ্রশস্ত। ফলে এ্যাম্বুলেন্সসহ যে কোন প্রাইভেটকার যাতায়াতে অসুবিধা দেখা দেয়। অনেক সময় মুমূর্ষু রোগীদের জন্য তা কষ্টের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
মো: হাফিজুর রহমান, রাজশাহী
(ছবি ফ্লিকার থেকে এম কে নাবিল এর সৌজন্যে ক্রিইটিভ কমন্স লাইসেন্সের আওতায় ব্যবহৃত)
শ্রমিকদের তাদের ন্যায্য পারিশ্রমিক দেয়া হয় না
সপুরা বিসিকের পার্শ্বে শাহী রাইস মিলস-এ যারা ধান শুকানো ভাঙ্গানোর কাজ করে তারা অত্যন্ত নিম্নমানের জীবন যাপন করে। তাদের সারাটা দিন কাটে ধান শুকিয়ে আর ধান ভেঙ্গে। ১০০ মন ধান-এ তাদের মাত্র ১২৫ টাকা করে দেয়া হয়। অর্থাত ২ মন ধানে বা প্রতি বস্তায় তাদের ১১ টাকা করে দেয়া হয়। ১ বস্তা ধান শুকিয়ে চাল করতে তাদের সময় লাগে প্রায় ৩-৪ দিন।
শাহী রাইস মিলস-এর কর্মী তাহেলা, জাহানারা, হাসনা, সোনাভান, জাহিদুল, সামাদ প্রমুখের কাছ থেকে জানা গেছে যে, এই স্বল্প আয়ে তাদের জন্য বর্তমান যুগে চালটা দিনে দিনে প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। এমন অবস্থায় তাদের দুবেলা পেট ভরে দু’মুঠো মোটা চালের ভাত পাওয়াটাও দিন দিন কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে। তারা আরো বললেন, তাদের যে পরিমান পরিশ্রম করানো হয় সে অনুযায়ী তারা তাদের ন্যায্য মজুরি পায় না। সারাদিন রোদে পুড়ে তাদের যে ঘাম ঝরে তারা তাদের সে কষ্টের পরিশ্রমের পারিশ্রমিক পায় না।
শুধু এই মিলেই না আশে পাশের মিলগুলোতেও একই অবস্থা। তারা অনেকেই নিজেদের নাম লিখতে পারে না। তারা তাদের বাচ্চাদেরকেও ঠিকমত লেখাপড়া করাতে পারে না। বাচ্চারা একটু বড় হলেই তাদেরও একই কাজে নিযুক্ত করে। তাদের ছোট ছোট বাচ্চাগুলো অপুষ্টিতে ভোগে।
মাহফুজা ফারহা, রাজশাহী
(ছবি ফ্লিকার থেকে জান্কির সৌজন্যে ক্রিইটিভ কমন্স লাইসেন্সের আওতায় ব্যবহৃত)
ময়লা আবর্জনা ফেলে দূষিত করা হচ্ছে পুকুরের পানি
সাগরপাড়া বল্লভগঞ্জ এর বিহারি পাড়ার মধ্যে একটি পুকুরের অবস্থা অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর। পুকুরের আশে-পাশের অধিবাসীরা মলমূত্রের ড্রেনের লাইন পুকুরে নামিয়ে রেখেছে। পলিথিন থেকে শুরু করে সব রকমের নোংরা আবর্জনা এমনকি পশু-পাখি বা মরা কুকুর পর্যন্ত পানিতে ফেলে পানি দূষিত করা হচ্ছে। আর এই পানিতে মানুষজন কাপড় ধোয়া, হাত-পা ধোয়া ইত্যাদি যাবতীয় কাজ করে। কেন তারা এই পানি ব্যবহার করে জিজ্ঞাসা করলে তারা বলে, পানির অন্য কোন ব্যবস্থা না থাকার কারণে এ পুকুরের পানিই ব্যবহার করতে হয়। এর পাশে আরেকটি পুকুরেরও একই অবস্থা। এই পুকুরের পানি দিয়ে অনেকে খাবার পর্যন্ত তৈরি করে থাকে, যা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।
সাঈমা আক্তার, রাজশাহী
(ছবি ফ্লিকার থেকে কলনোস এর সৌজন্যে ক্রিইটিভ কমন্স লাইসেন্সের আওতায় ব্যবহৃত)
রবিবার, ৭ নভেম্বর, ২০১০
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার দুরবস্থা
মানুষের বেঁচে থাকার জন্য চাই খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা ও চিকিৎসা। এ পাঁচটি অধিকার ছাড়া মানুষের বেঁচে থাকা সম্ভব না। মানুষ চিকিৎসার জন্য বিভিন্ন হাসপাতালে যায়। বিশেষ করে সরকারি সেবামূলক প্রতিষ্ঠানে মানুষ বেশি গিয়ে থাকে। আমাদের দেশে সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলো বিনামূল্যে সেবা দান করে থাকে। আমরা সাধারণ জনগোষ্ঠী বেশির ভাগ সময়ে সরকারি সেবাদান প্রতিষ্ঠানসমূহে গিয়ে থাকি। কিন্তু সেবা পাবার ক্ষেত্রে আমরা সন্তুষ্ট হতে পারি না। আমাদের রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালটি বাংলাদেশের একটি অন্যতম বড় চিকিৎসা সেবা প্রদানকারী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। হাসপাতালের ১৬ নং ওয়ার্ডটি পর্যবেক্ষণ করলে দেখতে পাওয়া যায় যে বাস্তবে এটি কত বড়। যে ওয়ার্ডের বারান্দায়ও রোগীদের জায়গা হয়। রোগীদের আশ্রয় নিতে হয়, হাসপাতালের রাস্তার উপর। যেখানে না আছে স্যালাইনের... না আছে বিদ্যুৎ এর পর্যাপ্ত ব্যবস্থা। যেখানে ডাক্তার বা সেবিকারাও তাদের সেবা ঠিকমত দেয় না। ১৬ নং ওয়ার্ডটিতে বেডের সংখ্যা ৪০ টি, কিন্তু ঐ ওয়ার্ডে রোগীর সংখ্যা ১৫০ এরও অধিক। সেক্ষেত্রে কর্তৃপক্ষের উচিত ওয়ার্ডের সংখ্যা বৃদ্ধি করা। ৪০ টি রোগীর দেখাশোনার জন্য ২ টি নার্স ও একটি চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারী আছেন। তাদের একার পক্ষে সম্ভবপর হয় না রোগীর সঠিক সেবাদান করা। এ অবস্থা চলতে থাকলে হাসপাতালে রোগী মৃত্যুর হার কমিয়ে আনা সম্ভব হবে না। হাসপাতালের ১৫ নং ও ১৬ নং ওয়ার্ড এত অপরিস্কার যে রোগী সুস্থ না হয়ে আরো অসুস্থ হয়ে পড়ছে। এ ওয়ার্ড গুলোতে ডাস্টবিন থাকা সত্ত্বেও কোন মানুষই এর ব্যবহার করেন না। এছাড়া অনেক অপরিচিত লোকদের সমাগম হয়ে থাকে হাসপাতালে। ফলে রোগীরা তাদের জানমালের অনিরাপত্তায় ভোগেন। তাছাড়া আরো দেখা গেছে যে সেবিকারা তাদের সঠিক সেবাদানে অনীহা দেখান। তাদের অনীহার কারনে অনেক সময় রোগীর মৃত্যুও ঘটে। বিশেষ করে সেবিকা যারা ওয়ার্ডের দায়িত্বে থাকেন তারা সাধারণ জনগণের ডাকে সাড়া দেন না। ১৫/১৬ নং ওয়ার্ডে রাতের বেলায় যেসব সেবিকা দায়িত্বে থাকনে তারা রাতের বেলায় ভেতরের রুমে গিয়ে ঘুমান। সেবিকারা রোগীদের সাথে কখনো ভালো ব্যবহার করেন না। ওয়ার্ডের দায়িত্বে যারা থাকেন তারা রোগীর অধিকারের ঔষধ পথ্য ও খাবার রোগীদের না দিয়ে নিজেরাই ভোগ করেন। সেক্ষেত্রে সুবিধা বঞ্চিত জনগণ তাদের প্রাপ্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে প্রতিনিয়ত। অনেক সময় হাসপাতালে অনেক দরিদ্র রোগী ভর্তি থাকে যাদের পক্ষে ৫০০-১০০০ টাকা খরচ করে ঔষধ ক্রয় করা সম্ভব হয় না। অনেক জনগণই তাদের অধিকার সম্পর্কে জানে না। সেক্ষেত্রে রোগীটি কিভাবে সঠিক সেবা পাবে। সচেতন নাগরিকের উচিত সুবিধাবঞ্চিত জনগণকে তাদের অধিকার সম্পর্কে জানানো। হাসপাতালের টয়লেটের অবস্থা আরো শোচনীয়। পানির সঠিক ব্যবস্থা অনেক সময়ই পাওয়া যায় না। বাথরুমের পাশে ৫ মিনিট দাঁড়ানো সম্ভব হয় না। সেখানে অনেক দুর্গন্ধ। রোগীরা সুস্থ্য হবার জন্য এখানে এসে অসুস্থ পড়ছে। এই অবস্থা চলতে থাকলে চিকিৎসা সেবার মাধ্যমে জীবন বাঁচানো সম্ভব হবে না। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে আমার আবেদন এ ব্যাপারটি বিশ্লেষণ করে দেখে, এটি নিরুপণের সঠিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেন এবং সরকারি প্রতিষ্ঠানে সেবার মান উন্নয়নে সহযোগীতা করুন।
শামীমা আহমেদ কথা, রাজশাহী
মশা নিধনের জন্য দৃষ্টি আকর্ষন
(ছবি: জেমস জর্ডানের সৌজন্যে। ক্রিয়েটিভ কমন্স লাইসেন্সের আওতায় ব্যবহৃত)
রাজশাহী নগরের তেরখাদিয়া এলাকার শান্তিবাগ লেন অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ এলাকা। এ এলাকায় মশার উপদ্রপ এলাকার মানুষের জীবন অতিষ্ট হয়ে উঠেছে। এ মুহুর্তে মশার কামড়ে অনেকে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সাথে লড়াই করছে। পরিচ্ছন্ন মহানগর তৈরিতে নাগরিক ও সিটি করপোরেশনকে আরো জোরদার ভূমিকা পালনের অনুরোধ জানাচ্ছি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক, রাজশাহী
পরিস্কার পরিচ্ছন্নতার জন্য উন্নত ড্রেনেজ ব্যবস্থার প্রয়োজন
রাজশাহী শহরের রাস্তার গলিগুলোতে ড্রেন পরিস্কার পরিচ্ছন্ন না করার জন্য বৃষ্টির সময় অল্প পানিতে রাস্তার উপরে পানি উপরে উঠে আসে। ফলে জনসাধারনের চলাচলে বাধা সৃষ্টি হয়। এছাড়াও ড্রেনের সাথে বাড়ির টয়লেটের সংযোগ থাকার কারণে প্রচন্ড দুর্গন্ধের সৃষ্টি হয়। এজন্য জন মানুষের দুর্ভোগের শেষ থাকে না। জনসাধারণের এ দুর্ভোগের হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষন করছি।
মো: তারিক আস সাদিক, রাজশাহী
মো: তারিক আস সাদিক, রাজশাহী
আবর্জনা পরিস্কারে চাই আর একটু সচেতনতা
(ছবি: ফ্লিকার ব্যবহারকারী ভাইপজ এর সৌজন্যে। ক্রিয়েটিভ কমন্স লাইসেন্সের আওতায় ব্যবহৃত)
মহানগরের আবর্জনা পরিস্কারে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে একটি সুন্দর ব্যবস্থা রয়েছে। প্রতি দিনের আবর্জনা দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মী প্রতিদিন দুপরের পর এলাকায়/মহল্লায় গিয়ে বাঁশি বাঁজিয়ে বাড়ী থেকে ময়লা নিয়ে একটি নির্দিষ্ট স্থানে রাখেন, যা প্রতিদিন রাতের বেলায় সেখান থেকে সরিয়ে ফেলা হয়। এ বিষয়ে একটা ঘটনা আপনাদের কাছে তুলে ধরতে চাই। ফায়ার সার্ভিস মোড় একটি জনগুরুত্বপূর্ণ রাস্তা। এই রাস্তায় প্রতিনিয়ত অনেক মানুষের যাতায়াত। ফায়ার সার্ভিস মোড়টি চারটি রাস্তার সংযোগস্থল। ফায়ার সার্ভিস মোড়ের আশে পাশের এলাকার আবর্জনা পরিস্কারকগণ যে আবর্জনাগুলো বাড়ী বাড়ী থেকে নিয়ে আসছেন সেগুলো নিয়ে এসে মোড়ের উত্তর দিকটার রাস্তার ওপরে ফেলে রাখছেন। এ আবর্জনাগুলো প্রতিদিন দুপুরের পর থেকে রাত্রী ৮ টা পর্যন্ত এখানে থাকছে। এই আবর্জনাগুলো পরিস্কার করা হচ্ছে কিন্তু এই রকম জনগুরুত্বপূর্ণ রাস্তার ওপর না রেখে পরিবেশ দুষণ না করে একটি নির্দিষ্ট স্থান নির্ধারণ করা উচিত নয় কি?
রায়হান, রাজশাহী
স্বাস্থ্য খাতের অব্যবস্থাপনা
স্বাস্থ্য সকল সুখের মূল। স্বাস্থ্য ভাল না থাকলে কোন কিছু ভাল থাকে না। কিন্তু বর্তমানে আমাদের দেশে স্বাস্থ্য খাতে সবচেয়ে বেশি দুর্নীতি হচ্ছে। যা অন্য খাতে কমই হয়। দুর্নীতি বেশির ভাগ হয় সরকারি হাসপাতালগুলোতে। অনেক সময় দেখা যায় চিকিৎসক সরকারি হাসপাতালের চেয়ে প্রাইভেট ক্লিনিকে রোগী দেখার জন্য মনোনিবেশ করে। এতে করে দেখা যায় সরকারি হাসপাতালের রোগীরা নির্দিষ্ট পরিমান সেবা পাচ্ছে না। সরকারি হাসপাতালে যে সব রোগী আসে তাদের বেশির ভাগ দরিদ্র সীমার নিচে বসবাস করে থাকে। তাদের পক্ষে বেশির ভাগ সময়ে প্রাইভেট ক্লিনিকে ডাক্তার দেখানো সম্ভব হয়ে উঠে না। রাজশাহী শহরেও এই সমস্যটা দেখা যায়। রাজশাহী শহরের বড় বড় চিকিৎসকরা প্রাইভেট ক্লিনিকে রোগীকে দেখতে বেশি পছন্দ করে। আবার অনেক সময় দেখা যায় চিকিৎসক গণ রোগী দেখলেও পর্যাপ্ত পরিমান ঔষধ প্রদান করেন না। কিন্তু ঠিকই সেই পরিমান ঔষধ রোগীর জন্য সরকারী হাসপাতালগুলোতে সরবরাহ করে থাকে। বিষয়টি বিবেচনার অনুরোধ জানাচ্ছি।
নয়ন, রাজশাহী
নয়ন, রাজশাহী
জীবনের মূল্য কতটুকু
রাজশাহী মহানগরের অন্যতম ব্যস্ততম সড়ক গৌরহাঙ্গা গ্রেটার রোড। এই সড়কে বর্ণালীর মোড় নামক স্থানে গতকাল শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টার দিকে আলোর জন্য একজন মটর সাইকেল আরোহী মারাত্মক দুর্ঘটনার হাত থেকে বেঁচে যান। সেখানে স্পিড ব্রেকার থাকলে ও ঢাকাগামী একটি বাস অতিদ্রুত ... দিক ছুটে আসে এবং কোন রকম গতি না কমিয়েই মটর সাইকেলটিকে অতিক্রম করে। ট্রাফিক পুলিশ এক রকম নীরব ভূমিকা পালন করেন। স্থানীয়দের মতে এরকম ঘটনা প্রতিদিনই ঘটছে। ব্যস্ততম সড়কগুলোতে স্পিড-ব্রেকার থাকলেও সেগুলোর যথাযথ ব্যবহার হচ্ছে না বা সুফল পাওয়া যাচ্ছে না। অধিকাংশ বড় যানবাহনগুলোর ক্ষেত্রে সেসব স্থানে গতি কমানো হয় না। ফলে রাস্তা পারাপারেও অনেক অনাকাঙ্খিত ঘটনার সম্মুখীন হতে হয়। ট্রাফিক আইন অমান্য করে রাস্তা পারাপার, ট্রাফিক পুলিশের দায়িত্বে অবহেলা এবং চালকদের অসচেতনতা প্রতিনিয়ত এ সকল দুর্ঘটনার জন্ম দেয়। নিরাপদ সড়ক, নিরাপদ জীবন। আর তাই সময় বাঁচাতে গিয়ে জীবনের ঝুঁকি নেওয়া কোন ভাবেই উচিত নয়। একথা মনে রাখতে হবে যে, সময়ের চেয়ে জীবনের মূল্য অনেক বেশি। ট্রাফিক আইন মেনে চলার ব্যাপারে প্রশাসনকে একটি বড় ভূমিকা পালন করতে হবে। পাশাপাশি জনমতে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে পারলে এ ধরনের ঘটনা এড়ানো সম্ভব হবে।
মো: মোস্তাফিজুর রহমান মুন্না, রাজশাহী
মো: মোস্তাফিজুর রহমান মুন্না, রাজশাহী
লেবেলসমূহ:
মতামত,
যোগাযোগ ব্যবস্থা,
রাজশাহী
দুর্বল ড্রেনেজ ব্যবস্থা ও শহরবাসীর ভোগান্তি
(ছবি: ফ্লিকার ব্যবহারকারী ভাইপজ এর সৌজন্যে। ক্রিয়েটিভ কমন্স লাইসেন্সের আওতায় ব্যবহৃত)
রাজশাহী সিটি করপোরেশনের দুর্বল ড্রেনেজ ব্যবস্থার কারণে বিভিন্ন ওয়ার্ড সমূহ পরিবেশ দূষণ, রোগ বালাই ও মানুষের ভোগান্তি বেড়েই চলেছে। রাজশাহী মহানগরীতে আয়তনের তুলনায় ড্রেনেজ ব্যবস্থা খুবই অপ্রতুল। শহরের বিভিন্ন ওয়ার্ডে ড্রেনের ব্যবস্থা নেই। ফলে বাসা বাড়ির ব্যবহৃত নোংরা পানি রাস্তায় পড়ে থাকছে। এতে দুর্গন্ধ ছড়ায় এবং রাস্তায় চলাচলে সমস্যা হয়। অপরদিকে যে সব এলাকায় ড্রেনেজ ব্যবস্থা আছে, যে সব এলাকায় ড্রেন সমূহ যথাযথ পরিস্কার করা হয় না। ফলে ড্রেনের পানি পচে দুর্গন্ধ ছড়ায়। এতে পরিবেশ দূষিত হয়। রাজশাহী শহরের প্রান কেন্দ্র সাহেববাজারের ড্রেন সমূহ সঠিকভাবে পরিস্কার না করার জন্য বর্ষাকালে বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। ফলে রাস্তায় পঁচা পানি জমে পথচারীর চলাচলে ভোগান্তি দেখা যায়। সাহেব বাজারের ড্রেন সমূহ আবর্জনায় ভরা এবং ড্রেনের উপর কোন ঢাকনা নেই। ফলে পথচারীরা দুর্ঘটনায় পড়ে। এসব বিষয়ে কর্তৃপক্ষের যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন বলে আমি মনে করি।
শেখ রাফি আহমেদ, রাজশাহী
দুর্বল ড্রেনেজ ব্যবস্থা এবং রাস্তাঘাট সরু হওয়ায় এলাকাবাসীর ভোগান্তি
রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের ২৭ নং ওয়ার্ডটি রানীনগর এলাকায় অবস্থিত এবং এর এরিয়া অনেক বড়। এই এলাকায় প্রায় আট হাজার লোকের বসবাস। কিন্তু রানীনগর এলাকায় বর্ষার সময় দেখা যায় বৃষ্টির পানি নেমে যেতে ২ দিন সময় লেগে যায়। ফলে মশা-মাছি এবং অনেক রোগ জীবাণু বংশ বিস্তার করে। আবার দেখা যায় এই এলাকায় রাস্তাগুলো অনেক পুরানো হয়ে গেছে। রাস্তায় পানির লাইন, গ্যাসের লাইন ইত্যাদি কাজ করে, কিন্তু সেগুলোর কোন মেরামত করা হয় না। এ কারণে দেখা যায় রাতের সময় চলা ফেরা করতে অসুবিধা হয়। বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে আসার জন্য কতৃপক্ষকে বিনীত অনুরোধ করছি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক, রাজশাহী
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক, রাজশাহী
চাই পুকুর সংস্কার
এক পাশ দিয়ে স্কুল কলেজ হেঁটে যাচ্ছে শত শত ছাত্র/ছাত্রী এবং চলছে হাজার হাজার যানবাহন। এক পাশে দাঁড়িয়ে আছে রাজশাহী কলেজের মহিলা ছাত্রী নিবাস আর অন্যপাশে আছে ছোট্ট একটি রেস্টুরেন্ট। এদের মাঝখানে রয়েছে একটি পুকুর। যে পুকুরটি ব্যবহার করা হচ্ছে নিত্যদিন। কেউ ব্যবহার করছে ময়লা পরিষ্কারের জন্য আবার কেউ ব্যবহার করছে ময়লা আবর্জনা ফেলার কাজে। কর্তৃপক্ষ কি বুঝতে পারছেন ঘটনাটি কি ঘটছে? শুধু এটাই নয় শহরের বিভিন্ন স্থানে যে সব পুকুরগুলো রয়েছে তা সাধারণত ব্যবহৃত হয় ডাস্টবিন হিসেবে। লক্ষ্যণীয় যে এই আবর্জনা ফেলা অস্বাস্থ্যকর পুকুরে স্থানীয় লোকজন গোসলসহ কাপড় জীবাণু মুক্ত করার কাজ করে থাকে। কিন্তু তারা বুঝতে পারছে না যে কাপড় জীবাণুমুক্ত করছে না বরং জীবাণুযুক্ত করছে। এই পুকুরগুলো সংস্কার করা হলে এটা মৎস্য সম্পদ বৃদ্ধি এবং রাজশাহী মহানগরীর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য বৃদ্ধিতে বিশেষ ভূমিকা রাখতে পারে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক, রাজশাহী
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক, রাজশাহী
বৃহস্পতিবার, ৪ নভেম্বর, ২০১০
সদর হাসপাতালের স্বাস্থ্য সেবা
একজন রোগী হাসপাতালের গেটের সামনে ৩ ঘন্টা ধরে ডাক্তারের জন্য অপেক্ষা করছে। আবার মেইন গেটের সামনে টিকিটের জন্য প্রায় দেড় ঘন্টা যাবৎ অপেক্ষা করেছে। টিকা কেন্দ্রের বাচ্চা ও মায়েরা প্রায় টি টি টিকার জন্য অপেক্ষা করছে। স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের দরজা এখনো তালা বন্ধ আছে। আমি যখন সামনের গেট দিয়ে বের হচ্ছি তখন দেখি জরুরী বিভাগের ঔষুধ সরবরাহের দরজা কেবল খুলল। সময় তখন সকাল ১০ টা। কার কাছে এসব বলব।
মো: মনিরা পারভীন, পঞ্চগড়
মো: মনিরা পারভীন, পঞ্চগড়
অজ্ঞ বাবা বিজ্ঞ ডাক্তার
খাল পাড়া গ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা মো: রকিবুল ইসলাম অভিযোগ করলেন যে এখানে এক বছরের শিশুর ভালভাবে চিকিৎসা প্রদান করা হয় না। তিনি বলেন যে, চবিবশ ঘণ্টাপর ঐ বিভাগের ডাক্তার একবার আসেন। এমতাবস্থায় তাঁর সন্তানের জরুরী কোন সমস্যা দেখা দিলে কোন ডাক্তার তিনি পান না। এই প্রতিবেদনে তৈরির সময় তিনি আরও বলেন যে গতরাতে অর্থাৎ ১২-১০-১০ তারিখে তাঁর সন্তানকে একটি স্যালাইন শরীরে দেওয়া হয়। স্যালাইন শেষের দিকে, কিন্তু কোন নার্স সময় মত না থাকায় তিনি নিজের হাতেই উক্ত স্যালাইন খুলতে বাধ্য হন। তিনি আরও অভিযোগ করেন যে, নার্সরা কর্তব্যপরায়ন নয়।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক, পঞ্চগড়
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক, পঞ্চগড়
সদর হাসপাতালে রোগীরা সঠিক সেবা পাচ্ছেন কি?
আমরা সকলে সেবা পাওয়ার জন্য বা রোগ হলে সদর হাসপাতালে যাই। কিন্তু আমরা সেবাগুলো সঠিকভাবে পাই না। অনেক সময় দেখা যায় যে ডাক্তার আসার কথা সকাল ৮টায়, অথচ দেখা যায় ডাক্তার আসে ৯টায়। আমি সদর হাসপাতালে গিয়ে দেখি অনেক মানুষ লাইন হয়ে দাঁড়িয়ে আছে ঔষুধের জন্য অথচ ডাক্তার সময় মত উপস্থিত না হওয়ার জন্য ঔষুধ পাচ্ছে না। বিষয়টি বিবেচনার দাবি রাখে।
মোছা: লাভলী আক্তার
মোছা: লাভলী আক্তার
সদর হাসপাতালে একদিন
আমি সামনের গেটে দেখলাম ভ্যানে রোগী শুয়ে আছে। দেখলাম টিকিট নেওয়ার অনেকেই লাইন ধরে দাড়িয়ে আছে। ডাক্তার সময় মত আসার কথা কিন্তু আসে নাই। হাসপাতালের কক্ষগুলি অপরিস্কার। স্বাস্থ্য সেবার রুম বন্ধ ছিল। যেখানে সেখানে আবর্জনা পড়ে আছে। স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রটির এমন দশা আমাকে ব্যথিত করেছে।
সানজিদা আক্তার, পঞ্চগড়
সানজিদা আক্তার, পঞ্চগড়
হাসপাতালের চিকিৎসা সেবা ও ঔষধ সরবরাহ
পঞ্চগড় সদর হাসপাতাল বিপুল সংখ্যক জনগণের চিকিৎসা কেন্দ্র। এখানে হাজার হাজার রোগী ভর্তি হয়। কিন্তু তারা দীর্ঘ পথ অতিক্রম করে এসেও সঠিক চিকিৎসা ও ঔষধ ভালভাবে পাচ্ছে না। হাসপাতালে যেয়ে আমরা অনেক সমস্যা প্রত্যক্ষ করেছি। হাসপাতালের বেডের চাদরগুলো নোংরা। অনেক বেডে চাদর নেই। থুতু, পানের পিক, ড্রেনে পায়খানা জমে থাকে। দরজার কাছেই ডাস্টবিন। এর দুর্গন্ধ রোগীদের আরও অসুস্থ করছে। দরিদ্র জনগণ সরকারী ঔষধ নিয়মিত পায় না। কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষন করছি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক, পঞ্চগড়
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক, পঞ্চগড়
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)








