স্বাস্থ্য লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
স্বাস্থ্য লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
রবিবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০১০
সিটি হাসপাতালে অব্যবস্থাপনা
বিভাগীয় শহর রাজশাহী। রাজশাহী সিটি হাসপাতালে ৩ জন ডাক্তার ও ৪ জন নার্স কর্মরত আছেন। এই হাসপাতালে ইসিজি আলট্রাসনোগ্রাফী, রক্তের গ্রুপ পরীক্ষাসহ বিভিন্ন আধুনিক পরীক্ষার ব্যবস্থা রয়েছে। সেবা দানের উদ্দেশ্য নিয়ে এই হাসপাতালটি কাজ করলেও বর্তমানে কিছু অব্যবস্থাপনার চিত্র লক্ষ করা যায়। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এখানে টিকিট মূল্যের বৈষম্য আছে। তাদের দাবি জ্বর, সর্দি, কাশিসহ সাধারণ চিকিৎসার জন্য ১০ টাকায় টিকিট পেলেও প্রসূতি ও চক্ষু চিকিৎসার জন্য ৫০ টাকায় টিকিট কাটতে হয়। রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১০ টাকার টিকিটে এক মাস সেবা পাওয়া যায়। যেখানে সিটি হাসপাতালে ১০ টাকা দিয়ে মাত্র একবার চিকিৎসা পাওয়া যায়। এখানে ইসিজি আলট্রাসনোগ্রাফী কার্যকর আছে কিনা জানতে চাইলে এক রোগী জানান পরীক্ষার জন্য যে টাকা দিতে হয় তার চেয়ে কম খরচে রাজশাহী মেডিকেল কলেজে পরীক্ষা করা যায়। তিনি আরো জানান, এই সকল পরীক্ষার মানের ব্যাপারে তাদের আস্থার অভাব আছে।
এখানে প্রসূতি মায়েদের নরমাল ডেলিভারির জন্য ৫০০ টাকা এবং সিজার অপারেশনের জন্য ৪,০০০ টাকা দিতে হয় বলে সেবাগ্রহণকারীরা জানায়।
এ সকল ব্যাপারে জানতে চাইলে হাসপাতাল প্রধান আমাদের কোন রকম তথ্য দিতে অস্বীকার করেন।
হাসপাতাল সংশ্লিষ্ট রাস্তাটি অপ্রশস্ত। ফলে এ্যাম্বুলেন্সসহ যে কোন প্রাইভেটকার যাতায়াতে অসুবিধা দেখা দেয়। অনেক সময় মুমূর্ষু রোগীদের জন্য তা কষ্টের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
মো: হাফিজুর রহমান, রাজশাহী
(ছবি ফ্লিকার থেকে এম কে নাবিল এর সৌজন্যে ক্রিইটিভ কমন্স লাইসেন্সের আওতায় ব্যবহৃত)
ময়লা আবর্জনা ফেলে দূষিত করা হচ্ছে পুকুরের পানি
সাগরপাড়া বল্লভগঞ্জ এর বিহারি পাড়ার মধ্যে একটি পুকুরের অবস্থা অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর। পুকুরের আশে-পাশের অধিবাসীরা মলমূত্রের ড্রেনের লাইন পুকুরে নামিয়ে রেখেছে। পলিথিন থেকে শুরু করে সব রকমের নোংরা আবর্জনা এমনকি পশু-পাখি বা মরা কুকুর পর্যন্ত পানিতে ফেলে পানি দূষিত করা হচ্ছে। আর এই পানিতে মানুষজন কাপড় ধোয়া, হাত-পা ধোয়া ইত্যাদি যাবতীয় কাজ করে। কেন তারা এই পানি ব্যবহার করে জিজ্ঞাসা করলে তারা বলে, পানির অন্য কোন ব্যবস্থা না থাকার কারণে এ পুকুরের পানিই ব্যবহার করতে হয়। এর পাশে আরেকটি পুকুরেরও একই অবস্থা। এই পুকুরের পানি দিয়ে অনেকে খাবার পর্যন্ত তৈরি করে থাকে, যা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।
সাঈমা আক্তার, রাজশাহী
(ছবি ফ্লিকার থেকে কলনোস এর সৌজন্যে ক্রিইটিভ কমন্স লাইসেন্সের আওতায় ব্যবহৃত)
রবিবার, ৭ নভেম্বর, ২০১০
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার দুরবস্থা
মানুষের বেঁচে থাকার জন্য চাই খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা ও চিকিৎসা। এ পাঁচটি অধিকার ছাড়া মানুষের বেঁচে থাকা সম্ভব না। মানুষ চিকিৎসার জন্য বিভিন্ন হাসপাতালে যায়। বিশেষ করে সরকারি সেবামূলক প্রতিষ্ঠানে মানুষ বেশি গিয়ে থাকে। আমাদের দেশে সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলো বিনামূল্যে সেবা দান করে থাকে। আমরা সাধারণ জনগোষ্ঠী বেশির ভাগ সময়ে সরকারি সেবাদান প্রতিষ্ঠানসমূহে গিয়ে থাকি। কিন্তু সেবা পাবার ক্ষেত্রে আমরা সন্তুষ্ট হতে পারি না। আমাদের রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালটি বাংলাদেশের একটি অন্যতম বড় চিকিৎসা সেবা প্রদানকারী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। হাসপাতালের ১৬ নং ওয়ার্ডটি পর্যবেক্ষণ করলে দেখতে পাওয়া যায় যে বাস্তবে এটি কত বড়। যে ওয়ার্ডের বারান্দায়ও রোগীদের জায়গা হয়। রোগীদের আশ্রয় নিতে হয়, হাসপাতালের রাস্তার উপর। যেখানে না আছে স্যালাইনের... না আছে বিদ্যুৎ এর পর্যাপ্ত ব্যবস্থা। যেখানে ডাক্তার বা সেবিকারাও তাদের সেবা ঠিকমত দেয় না। ১৬ নং ওয়ার্ডটিতে বেডের সংখ্যা ৪০ টি, কিন্তু ঐ ওয়ার্ডে রোগীর সংখ্যা ১৫০ এরও অধিক। সেক্ষেত্রে কর্তৃপক্ষের উচিত ওয়ার্ডের সংখ্যা বৃদ্ধি করা। ৪০ টি রোগীর দেখাশোনার জন্য ২ টি নার্স ও একটি চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারী আছেন। তাদের একার পক্ষে সম্ভবপর হয় না রোগীর সঠিক সেবাদান করা। এ অবস্থা চলতে থাকলে হাসপাতালে রোগী মৃত্যুর হার কমিয়ে আনা সম্ভব হবে না। হাসপাতালের ১৫ নং ও ১৬ নং ওয়ার্ড এত অপরিস্কার যে রোগী সুস্থ না হয়ে আরো অসুস্থ হয়ে পড়ছে। এ ওয়ার্ড গুলোতে ডাস্টবিন থাকা সত্ত্বেও কোন মানুষই এর ব্যবহার করেন না। এছাড়া অনেক অপরিচিত লোকদের সমাগম হয়ে থাকে হাসপাতালে। ফলে রোগীরা তাদের জানমালের অনিরাপত্তায় ভোগেন। তাছাড়া আরো দেখা গেছে যে সেবিকারা তাদের সঠিক সেবাদানে অনীহা দেখান। তাদের অনীহার কারনে অনেক সময় রোগীর মৃত্যুও ঘটে। বিশেষ করে সেবিকা যারা ওয়ার্ডের দায়িত্বে থাকেন তারা সাধারণ জনগণের ডাকে সাড়া দেন না। ১৫/১৬ নং ওয়ার্ডে রাতের বেলায় যেসব সেবিকা দায়িত্বে থাকনে তারা রাতের বেলায় ভেতরের রুমে গিয়ে ঘুমান। সেবিকারা রোগীদের সাথে কখনো ভালো ব্যবহার করেন না। ওয়ার্ডের দায়িত্বে যারা থাকেন তারা রোগীর অধিকারের ঔষধ পথ্য ও খাবার রোগীদের না দিয়ে নিজেরাই ভোগ করেন। সেক্ষেত্রে সুবিধা বঞ্চিত জনগণ তাদের প্রাপ্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে প্রতিনিয়ত। অনেক সময় হাসপাতালে অনেক দরিদ্র রোগী ভর্তি থাকে যাদের পক্ষে ৫০০-১০০০ টাকা খরচ করে ঔষধ ক্রয় করা সম্ভব হয় না। অনেক জনগণই তাদের অধিকার সম্পর্কে জানে না। সেক্ষেত্রে রোগীটি কিভাবে সঠিক সেবা পাবে। সচেতন নাগরিকের উচিত সুবিধাবঞ্চিত জনগণকে তাদের অধিকার সম্পর্কে জানানো। হাসপাতালের টয়লেটের অবস্থা আরো শোচনীয়। পানির সঠিক ব্যবস্থা অনেক সময়ই পাওয়া যায় না। বাথরুমের পাশে ৫ মিনিট দাঁড়ানো সম্ভব হয় না। সেখানে অনেক দুর্গন্ধ। রোগীরা সুস্থ্য হবার জন্য এখানে এসে অসুস্থ পড়ছে। এই অবস্থা চলতে থাকলে চিকিৎসা সেবার মাধ্যমে জীবন বাঁচানো সম্ভব হবে না। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে আমার আবেদন এ ব্যাপারটি বিশ্লেষণ করে দেখে, এটি নিরুপণের সঠিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেন এবং সরকারি প্রতিষ্ঠানে সেবার মান উন্নয়নে সহযোগীতা করুন।
শামীমা আহমেদ কথা, রাজশাহী
মশা নিধনের জন্য দৃষ্টি আকর্ষন
(ছবি: জেমস জর্ডানের সৌজন্যে। ক্রিয়েটিভ কমন্স লাইসেন্সের আওতায় ব্যবহৃত)
রাজশাহী নগরের তেরখাদিয়া এলাকার শান্তিবাগ লেন অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ এলাকা। এ এলাকায় মশার উপদ্রপ এলাকার মানুষের জীবন অতিষ্ট হয়ে উঠেছে। এ মুহুর্তে মশার কামড়ে অনেকে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সাথে লড়াই করছে। পরিচ্ছন্ন মহানগর তৈরিতে নাগরিক ও সিটি করপোরেশনকে আরো জোরদার ভূমিকা পালনের অনুরোধ জানাচ্ছি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক, রাজশাহী
স্বাস্থ্য খাতের অব্যবস্থাপনা
স্বাস্থ্য সকল সুখের মূল। স্বাস্থ্য ভাল না থাকলে কোন কিছু ভাল থাকে না। কিন্তু বর্তমানে আমাদের দেশে স্বাস্থ্য খাতে সবচেয়ে বেশি দুর্নীতি হচ্ছে। যা অন্য খাতে কমই হয়। দুর্নীতি বেশির ভাগ হয় সরকারি হাসপাতালগুলোতে। অনেক সময় দেখা যায় চিকিৎসক সরকারি হাসপাতালের চেয়ে প্রাইভেট ক্লিনিকে রোগী দেখার জন্য মনোনিবেশ করে। এতে করে দেখা যায় সরকারি হাসপাতালের রোগীরা নির্দিষ্ট পরিমান সেবা পাচ্ছে না। সরকারি হাসপাতালে যে সব রোগী আসে তাদের বেশির ভাগ দরিদ্র সীমার নিচে বসবাস করে থাকে। তাদের পক্ষে বেশির ভাগ সময়ে প্রাইভেট ক্লিনিকে ডাক্তার দেখানো সম্ভব হয়ে উঠে না। রাজশাহী শহরেও এই সমস্যটা দেখা যায়। রাজশাহী শহরের বড় বড় চিকিৎসকরা প্রাইভেট ক্লিনিকে রোগীকে দেখতে বেশি পছন্দ করে। আবার অনেক সময় দেখা যায় চিকিৎসক গণ রোগী দেখলেও পর্যাপ্ত পরিমান ঔষধ প্রদান করেন না। কিন্তু ঠিকই সেই পরিমান ঔষধ রোগীর জন্য সরকারী হাসপাতালগুলোতে সরবরাহ করে থাকে। বিষয়টি বিবেচনার অনুরোধ জানাচ্ছি।
নয়ন, রাজশাহী
নয়ন, রাজশাহী
বৃহস্পতিবার, ৪ নভেম্বর, ২০১০
সদর হাসপাতালের স্বাস্থ্য সেবা
একজন রোগী হাসপাতালের গেটের সামনে ৩ ঘন্টা ধরে ডাক্তারের জন্য অপেক্ষা করছে। আবার মেইন গেটের সামনে টিকিটের জন্য প্রায় দেড় ঘন্টা যাবৎ অপেক্ষা করেছে। টিকা কেন্দ্রের বাচ্চা ও মায়েরা প্রায় টি টি টিকার জন্য অপেক্ষা করছে। স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের দরজা এখনো তালা বন্ধ আছে। আমি যখন সামনের গেট দিয়ে বের হচ্ছি তখন দেখি জরুরী বিভাগের ঔষুধ সরবরাহের দরজা কেবল খুলল। সময় তখন সকাল ১০ টা। কার কাছে এসব বলব।
মো: মনিরা পারভীন, পঞ্চগড়
মো: মনিরা পারভীন, পঞ্চগড়
অজ্ঞ বাবা বিজ্ঞ ডাক্তার
খাল পাড়া গ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা মো: রকিবুল ইসলাম অভিযোগ করলেন যে এখানে এক বছরের শিশুর ভালভাবে চিকিৎসা প্রদান করা হয় না। তিনি বলেন যে, চবিবশ ঘণ্টাপর ঐ বিভাগের ডাক্তার একবার আসেন। এমতাবস্থায় তাঁর সন্তানের জরুরী কোন সমস্যা দেখা দিলে কোন ডাক্তার তিনি পান না। এই প্রতিবেদনে তৈরির সময় তিনি আরও বলেন যে গতরাতে অর্থাৎ ১২-১০-১০ তারিখে তাঁর সন্তানকে একটি স্যালাইন শরীরে দেওয়া হয়। স্যালাইন শেষের দিকে, কিন্তু কোন নার্স সময় মত না থাকায় তিনি নিজের হাতেই উক্ত স্যালাইন খুলতে বাধ্য হন। তিনি আরও অভিযোগ করেন যে, নার্সরা কর্তব্যপরায়ন নয়।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক, পঞ্চগড়
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক, পঞ্চগড়
সদর হাসপাতালে রোগীরা সঠিক সেবা পাচ্ছেন কি?
আমরা সকলে সেবা পাওয়ার জন্য বা রোগ হলে সদর হাসপাতালে যাই। কিন্তু আমরা সেবাগুলো সঠিকভাবে পাই না। অনেক সময় দেখা যায় যে ডাক্তার আসার কথা সকাল ৮টায়, অথচ দেখা যায় ডাক্তার আসে ৯টায়। আমি সদর হাসপাতালে গিয়ে দেখি অনেক মানুষ লাইন হয়ে দাঁড়িয়ে আছে ঔষুধের জন্য অথচ ডাক্তার সময় মত উপস্থিত না হওয়ার জন্য ঔষুধ পাচ্ছে না। বিষয়টি বিবেচনার দাবি রাখে।
মোছা: লাভলী আক্তার
মোছা: লাভলী আক্তার
সদর হাসপাতালে একদিন
আমি সামনের গেটে দেখলাম ভ্যানে রোগী শুয়ে আছে। দেখলাম টিকিট নেওয়ার অনেকেই লাইন ধরে দাড়িয়ে আছে। ডাক্তার সময় মত আসার কথা কিন্তু আসে নাই। হাসপাতালের কক্ষগুলি অপরিস্কার। স্বাস্থ্য সেবার রুম বন্ধ ছিল। যেখানে সেখানে আবর্জনা পড়ে আছে। স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রটির এমন দশা আমাকে ব্যথিত করেছে।
সানজিদা আক্তার, পঞ্চগড়
সানজিদা আক্তার, পঞ্চগড়
হাসপাতালের চিকিৎসা সেবা ও ঔষধ সরবরাহ
পঞ্চগড় সদর হাসপাতাল বিপুল সংখ্যক জনগণের চিকিৎসা কেন্দ্র। এখানে হাজার হাজার রোগী ভর্তি হয়। কিন্তু তারা দীর্ঘ পথ অতিক্রম করে এসেও সঠিক চিকিৎসা ও ঔষধ ভালভাবে পাচ্ছে না। হাসপাতালে যেয়ে আমরা অনেক সমস্যা প্রত্যক্ষ করেছি। হাসপাতালের বেডের চাদরগুলো নোংরা। অনেক বেডে চাদর নেই। থুতু, পানের পিক, ড্রেনে পায়খানা জমে থাকে। দরজার কাছেই ডাস্টবিন। এর দুর্গন্ধ রোগীদের আরও অসুস্থ করছে। দরিদ্র জনগণ সরকারী ঔষধ নিয়মিত পায় না। কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষন করছি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক, পঞ্চগড়
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক, পঞ্চগড়
হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডটি বেশি অপরিচ্ছন্ন
পঞ্চগড় সরকারি হাসপাতালের নিচতলায় গিয়ে আমার বেশ ভাল লাগল। নিচতলটি মোটামুটি পরিস্কার মনে হয়েছিল। কিন্তু দোতলায় যাওয়ার পর আমি ব্যতিক্রম অবস্থা লক্ষ করি। কারণ সেখানকার কক্ষগুলো খুবই অপরিস্কার। বেডশিটগুলো ময়লা। তার পরে আমি মহিলা ওয়ার্ড এবং পুরুষ ওয়ার্ডে যাই। মহিলা এবং পুরুষ ওয়ার্ডগুলো মোটামুটি পরিস্কার ছিল। সবশেষে আমি শিশু ওর্য়াডে যাই। সেখানকার অবস্থা আমার খুবই খারাপ মনে হয়েছে। কারণ অন্য সব ওয়ার্ডের তুলনায় শিশু ওয়ার্ডটি বেশি অপরিস্কার ছিল। আমি সেখানকার টয়লেটগুলোতে যাই, টয়লেটগুলো ছিল খুব অপরিস্কার। একটি শিশু বারান্দায় বসে মলমূত্র ত্যাগ করছিল। আমার পড়ে হয় শিশুদের ওয়ার্ডটি সম্পর্কে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে সবচেয়ে বেশি সচেতন হতে হবে। কারণ শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকে। তাদের কক্ষ, টয়লেট ইত্যাদি বিষয়ে খেয়াল রাখা প্রয়োজন।
জেসমিন আকতার জলি, পঞ্চগড়
জেসমিন আকতার জলি, পঞ্চগড়
পঞ্চগড় সদর হাসপাতালের সুচিকিৎসা অভাব
বাংলাদেশের ৬৪টি জেলার মধ্যে পঞ্চগড় উত্তরবঙ্গের একটি জেলা। এই জেলা অন্যান্য জেলার তুলনায় সব দিকে অনুন্নত। বেশি শিল্প কারখানা না থাকায় এখানকার মানুষ অত্যন্ত দারিদ্রের মধ্যে জীবন-যাপন করে। ভালভাবে বেঁচে থাকার জন্য মানুষের পাঁচটি মৌলিক চাহিদা প্রয়োজন। পাঁচটি মৌলিক অধিকারের মধ্যে চিকিৎসা একটি। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় রাতের বেলা একজন রোগীকে বাংলাবান্ধা, আটোয়ারী বা দেবীগঞ্জ থেকে মূর্মুযু অবস্থায় জরুরী বিভাগে গিয়ে কর্তব্যরত ডাক্তারকে দেখতে পায় না। এদিকে মুমূর্যূ রোগীকে রেখে সাথের লোকজন চিকিৎসা কর্মীদের খোঁজা শুরু করেন। এক সময় চিকিৎসা কর্মীদের খুঁজে পাওয়া যায়। তাদেরকে এ বিষয়ে কোন কিছু বলতে গেলে তারা বিভিন্ন অজুহাত দেখান। শুধু তাই নয়, যিনি বর্হিবিভাগে রোগীদের টিকেট প্রদান করেন তাকেও সময়মত পাওয়া যায় না। অনেক সময় দেখা যায় বাহিরে অনেক রোগী লাইন ধরে দাড়িয়ে আছেন, অথচ তিনি নাই। আবার টিকেটের দাম ৪.৫০ টাকা হলেও ৫.০০টাকা দেওয়া হলে ৫০ পয়সা ফেরত দেননা। ডাক্তাররা হাসপাতালের রোগীদের বেশি সময় না দিয়ে ক্লিনিকে বেশি সময় ব্যয় করেন। আমার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার কাছে অনুরোধ বিষয়টি যেন অত্যন্ত সহানুভূতির সাথে দেখা হয়।
আঁখি, পঞ্চগড়
আঁখি, পঞ্চগড়
পঞ্চগড় সরকারি সদর হাসপাতালের দুর্গন্ধময় টয়লেট
পঞ্চগড় সরকারী সদর হাসপাতালের টয়লেটটি অত্যন্ত নোংরা ও দুর্গন্ধময়। একটি হাসপাতাল যা কিনা রোগীদের স্বাস্থ্যসেবা দেয়, আজ তা রোগ ছড়ানোর কারখানায় পরিণত হয়েছে। আমি হাসপাতালে গিয়ে দেখি অবিরত পানি পড়ছে, প্যান ভেঙ্গে পড়ে আছে, নোংরা আবর্জনায় পরিপূর্ণ। নিয়মিত পরিস্কারের অভাবে টয়লেটটি ব্যবহারের অনুপযুক্ত। হাসপাতাল কতৃপক্ষকে অনুরোধ করছি টয়লেটটি যেন নিয়মিত পরিস্কার করা হয়। আর যারা ব্যবহারকারী তাদের সহযোগিতা ছাড়া এটি পরিচ্ছন্ন রাখা সম্ভব নয়। আমাদের সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টাই পারে হাসপাতালের টয়লেটটি পরিচ্ছন্ন রাখতে।
সুরাইয়া, পঞ্চগড়
সুরাইয়া, পঞ্চগড়
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)


